আরএনবি ডেস্কঃ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বাংলা ইনসাইডারের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর–কে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া জানান, যে ধারাগুলোর আওতায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকার সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাতিল করায় আইনি ভিত্তি না থাকায় মামলা খারিজ করা হয়েছে।এর আগে গত বছরের ২৮ আগস্ট একই ট্রাইব্যুনাল নঈম নিজাম ও সৈয়দ বোরহান কবীরকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল। ওই দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন নেন। এরও আগে, ২৭ জুলাই এই তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।মামলার নথি অনুযায়ী, সিআইডি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করলে গত বছরের ২ জুন আদালত তা আমলে নেয়। এরও আগে, ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নঈম নিজামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়।মামলায় আরও আসামি করা হয় ‘ভাইরাল প্রতিদিন’ নামের একটি ওয়েবসাইটের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্তুতকারী ও টেকনিশিয়ানকে। গত বছরের ২০ নভেম্বর সিআইডির উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়, যা অনলাইন সংস্করণেও প্রচার করা হয়। সেখানে ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেনকে নুসরাতের আইনজীবী হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ তোলা হয়। একই তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়ানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। বাদীর অভিযোগের জবাবে ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন আদালতকে জানান, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। তবে নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।