বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় বিভাগভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে এগিয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২ জনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগ থেকে মোট ১০ জন স্থান পেয়েছেন—যাদের মধ্যে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দু’ধরনের পদই রয়েছে। তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম প্রতিনিধিত্ব পেয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে দু’জন পূর্ণমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি ও মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
ঢাকা বিভাগ থেকে পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন আফরোজা খানম রিতা, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ইশরাক হোসেন, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ববি হাজ্জাজ, হাবিবুর রশিদ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
মন্ত্রী হয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ ও মিজানুর রহমান মিনু।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন এম এ মুহিত, মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন ও মুহাম্মদ আব্দুল বারী।
পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও জহির উদ্দিন স্বপন।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন আহমদ সোহেল মঞ্জুর, রাজিব আহসান ও মো. নুরুল হক নুর।
মন্ত্রী হয়েছেন নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আছেন মো. আসাদুজ্জামান, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এই বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন মো. শরিফুল আলম, কায়সার কামাল, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ইয়াসের খান চৌধুরী ও এম ইকবাল হোসেইন।
মন্ত্রী হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ও আসাদুল হাবিব।
প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ফরহাদ হোসেন আজাদ।
সিলেট বিভাগ থেকে মন্ত্রী হয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।
নতুন মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করা হলেও চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের প্রাধান্য স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ দুই বিভাগের সাংগঠনিক শক্তি ও নির্বাচনী ফলাফলের প্রভাব মন্ত্রিসভা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।