শনিবার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে শিপইয়ার্ডে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
নিহত প্রবাসী মো. তারেক (৪৫) চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নের পাহাড়েরগো গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ২৭ বছর ধরে বাহরাইনে কর্মরত ছিলেন তিনি।
তারেকের মামাতো ভাই ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন,
“ডিউটিরত অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে তারেক ঘটনাস্থলেই মারা যায়।”
নিহতের সহকর্মী সুমন জানান—
“শিপইয়ার্ডে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌযান ছিল। সেটিকে টার্গেট করেই রাত ২টার দিকে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। এতে তিন বাংলাদেশি আক্রান্ত হন—একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন, দুজন আহত।”
বাহরাইনের স্থানীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এলাকাটি ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক ধারণা, এটি ছিল ইরানের প্রতিশোধমূলক সামরিক হামলার অংশ, যা গত কয়েক দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।
মো. তারেকের মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে কর্মরত এই প্রবাসীর অকাল মৃত্যু এলাকায় শোকের আবহ তৈরি করেছে।