বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে জানান, কর্মসূচি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রেসসচিব বলেন, কৃষক কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি কৃষকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এ কার্ডের মাধ্যমে ধাপে ধাপে কৃষকদের বিভিন্ন সরকারি সেবা দেওয়া হবে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা পাবেন, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ,সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা,সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ,সহজ শর্তে কৃষিঋণ,কৃষি বীমা সুবিধা,ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ ,কৃষি প্রশিক্ষণ আবহাওয়া ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন বিষয়ে পরামর্শ
শুধু কৃষক নয়, খামারিরাও পাবেন সুবিধা। প্রেসসচিব জানান, এ কর্মসূচির আওতায় শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকই নন, মৎস্য চাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধ খামারিরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। ৯ উপজেলায় পাইলট কর্মসূচি।
প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর দেশের আট বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।