শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘একজন মেয়ে কীভাবে চলবে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি’ : মারদিয়া মমতাজ রংপুরসহ ৫ বিভাগে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পদ্মা সেতুর পথেই এগোচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, দ্রুত একনেকে যাচ্ছে প্রকল্প : পানিসম্পদ মন্ত্রী তিস্তা ব্যারেজে তিন মন্ত্রীর পরিদর্শন, মহাপরিকল্পনা নিয়ে বাড়ছে প্রত্যাশা সোনার দাম ভরিতে আরও কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত অবশেষে সেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুটি খোলাসা করলেন সাবেক উপদেষ্টা ভয়াবহ ট্যাকলে গুরুতর চোট, স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন কানাডার ইসমাইল কোনে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদের অভিযোগ, তারাগঞ্জ মাদ্রাসায় নতুন বিতর্ক রৌমারী সীমান্তে ৯৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার একই পরিবারের ৪ সদস্য, শূন্যরেখায় এখনও ৫ জন

১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা অনিশ্চিত, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে টানাপোড়ন

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি নির্ধারিত থাকলেও ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। জোটের ভেতরে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা দিলেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। জোট–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আসন বণ্টন নিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১ দলের মধ্যে অধিকাংশের সঙ্গে প্রাথমিক সমঝোতা হলেও ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দলটি এবার মোট ২৭২টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১০টি আসন ছাড় দিয়ে ১৯০টি আসনে নিজ দলের প্রার্থী রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জোটের অন্য শরিকদের মধ্যে খেলাফত মজলিশ ১৫টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ১০টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ৩টি, খেলাফত আন্দোলন ৪টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ইসলামী আন্দোলনের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩৫টি আসন। নতুন করে জোটে যুক্ত হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩০টি, এলডিপি ৩টি এবং লেবার পার্টি ৩টি আসন। তবে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আপত্তি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। আট দলের বৈঠকে ৩৫টি আসনের প্রস্তাব চূড়ান্ত হলেও দলটি তা মানতে রাজি হয়নি। দলটির দাবি, ন্যূনতম ১২০টি আসন। মুফতি ফয়জুল করীম প্রকাশ্যে বলেছেন, তাদের জন্য আদর্শ সংখ্যা ১৪৩টি আসন। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে এমন কথাও ছড়িয়ে পড়ে যে, সম্মানজনক আসন না পেলে জোটের কাঠামো নিয়েই প্রশ্ন উঠতে পারে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে। তাঁর ভাষায়, ইসলামী আন্দোলন জোটের বড় দল হলেও নতুন যুক্ত হওয়া কয়েকটি দলের সঙ্গে এখনো কোনো বৈঠক হয়নি; মূলত জামায়াতের সঙ্গেই আলোচনা সীমিত ছিল। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম রংপুরে এক নির্বাচনী সভায় বলেন, জোটের ভেতরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। একই বক্তব্য দিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার–মিডিয়া প্রধান এহসানুল মাহবুব যোবায়ের। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত সময় থাকায় আপাতত লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক জরুরি নয়। জোটের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেসব দল অতীতে সংসদে একটি আসনও পায়নি, তারা দেড়শর কাছাকাছি আসনের দাবি করলে তা বাস্তবসম্মত হয় না। তিনি বলেন, জোট রাজনীতিতে থাকতে হলে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয়। তাঁর আশা, ইসলামী আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় ফিরবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com