দশ দলীয় জোটের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি কোনো বক্তৃতা দিতে আসেননি, বরং সাক্ষী হতে এসেছেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে উত্তরবঙ্গ প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র নয়; বরং পরিকল্পিতভাবে এই অঞ্চলকে দরিদ্র করে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উত্তরবঙ্গে আর বেকারত্ব দেখতে চান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করাই তাঁর লক্ষ্য।
নদী প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, নদী আল্লাহর দান। অথচ দেশের চারটি নদী শুকিয়ে গেছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, এই দেশের কি মা–বাবা ছিল না? তাহলে নদীগুলো কেন মরে গেল?
তিনি আরও বলেন, “ওরা নির্বাচনের কোকিল। নির্বাচন এলেই কুহু কুহু করে ডেকে ওঠে। কিন্তু আমরা আপনাদের সাথেই ছিলাম। দেশ ও দেশের মানুষকে রেখে আমরা কোথাও চলে যাইনি। শত নির্যাতনের মধ্যেও আপনাদের পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও একসাথে দেশ গড়ব, ইনশাআল্লাহ।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গকে নতুনভাবে গড়ে তোলা হবে। দেশের ৬৪টি জেলায় ৬৪টি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন—এই অর্থ কোথা থেকে আসবে? তিনি দাবি করেন, দেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়, আর সেই অর্থ উদ্ধার করেই এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, জনগণ যদি তাঁদের সুযোগ দেয়, তবে দেশ থেকে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও অর্থপাচার বন্ধ করা হবে। কোনো নতুন দুর্বৃত্ত যেন নতুন কোনো পরিচয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে—এ জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। একই সঙ্গে ১২ তারিখে সত্যের বিজয় দান করার জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।