নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত এগোচ্ছে বিএনপি সরকার। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক বা পাইলট কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় আট বিভাগের আটটি উপজেলায় এই প্রকল্প শুরু হচ্ছে। আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করছেন নিয়মিত। রবিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে অফিসে এসে তিনি খোঁজ নিয়েছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ঠিক সময়ে এসেছেন কি না। বিস্তারিত রিপোর্টে।
ক্ষমতায় আসার পরপরই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি সরকার। অগ্রাধিকারে থাকা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি মাত্র চার দিনের মাথায় এই কার্যক্রমের রূপরেখা চূড়ান্ত করল।
সূত্র বলছে, শুরুতে ঢাকার বাইরে একটি জেলা, সম্ভবত বগুড়া থেকে এই কার্ড বিতরণ শুরু হতে পারে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবে। এছাড়া মিলবে নিত্যপণ্যের বিশেষ সুবিধা। সরকার আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ যোগ্য পরিবারকে এই আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে।
এদিকে প্রশাসনের গতি বাড়াতে কঠোর অবস্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটেই সচিবালয়ে হাজির হন তিনি। অফিসে এসেই তিনি খোঁজ নেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা ঠিক সময়ে এসেছেন কি না। সবাইকে নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জীবনে কতটা স্বস্তি আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।