জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধ এবং গ্রাহকদের সহজে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে রংপুর নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। অভিযানে দুটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলার নেতৃত্বে নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে শাপলা চত্বরের ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনে দুটি মেশিন বন্ধ রেখে ধীরগতিতে জ্বালানি বিক্রি করতে দেখা যায়। পর্যাপ্ত তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা এবং মজুতের তথ্য দিতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ফিলিং স্টেশনের মালিক আজিজুল ইসলাম জানান, কিছুক্ষণ আগেই পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন সরবরাহ এসেছে, সে কারণেই দুটি মেশিন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
পরে একই এলাকায় অবস্থিত রহমান ট্রেডার্স নামে আরেকটি ফিলিং স্টেশনেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পর্যাপ্ত জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও বিক্রি না করা এবং মজুত সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকেও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক নাছির উদ্দিন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় গ্রাহকরা ঠিকমতো জ্বালানি পাচ্ছেন কি না তা পর্যবেক্ষণের জন্য নগরীর বিভিন্ন পাম্পে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাতটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারিমুল মওলা বলেন, দুইটি ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম পাওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন গ্রাহকরা জ্বালানি পেতে কোনো সমস্যায় না পড়েন সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে রংপুর নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক চালক অভিযোগ করেন, ২০০ টাকার জ্বালানি দিয়ে দূরপাল্লার যাতায়াত করা কঠিন, তাই তারা অন্তত ৫০০ টাকার জ্বালানি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।