ট্যাংক ফুল তবুও তেল চাই! আর সেই বাড়তি লোভেই ছড়িয়ে পড়ল বিশৃঙ্খলা পুরো পাম্পজুড়ে।
রংপুরের ব্যস্ত সড়ক। লম্বা লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, এক ফোঁটা জ্বালানির জন্য মানুষের এমন হাহাকার এখন প্রায় নিয়মিত দৃশ্য।
এই অবস্থায় সামনে আসে একটি মোটরসাইকেল। চালক তেল নিচ্ছেন। ট্যাংক প্রায় ভরে গেছে। পাম্প কর্মী বারবার থামাতে চাইছেন। কিন্তু পেছন থেকে চাপ— “আরো দেন! আরো দেন!”
এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তেল উপচে পড়ছে। বাইকের গায়ে, এমনকি চালকের শরীরেও ছড়িয়ে যাচ্ছে জ্বালানি। চারদিকে চিৎকার, উত্তেজনা, ক্ষোভ।
প্রশ্ন উঠছে এটি কি সত্যিকারের জ্বালানি সংকট? নাকি আতঙ্ক আর মজুত করার মানসিকতাই পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলছে?
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে প্রায় ২০ ডলার।
তাহলে সংকটটা কোথায়? জ্বালানিতে, নাকি আমাদের আচরণে?