শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে গাছে অজ্ঞান যুবক, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল মদ-সিগারেটের ট্যাক্স বাড়ানোয় বিরোধী দল নাখোশ : প্রধানমন্ত্রী বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব : এফবিসিসিআই ভিনি-রাফিনিয়ার কাঁধে ব্রাজিলের হেক্সা স্বপ্ন ভারতের পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, কুলাউড়া সীমান্তে উত্তেজনা তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বরাদ্দ স্পষ্ট না হওয়ায় ধোঁয়াশা: নজরুল ইসলাম হক্কানী রংপুরের ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার বিশ্বকাপ নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানি সমর্থকরা

বেগম রোকেয়া দিবস আজ: জন্মভূমিতে দেহাবশেষ আনার দাবি জোরালো

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯ জন সংবাদটি দেখেছেন

আজ ৯ ডিসেম্বর নারী শিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্মবার্ষিকী এবং ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। ১৮৮০ সালের এই দিনে রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই মহীয়সী নারী, যিনি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের শৃঙ্খল ভেঙে নারীর শিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় পথিকৃৎ হিসেবে খ্যাত। তিনি ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছিলেন নিজের গ্রাম থেকে।

দিবসটি উপলক্ষে পায়রাবন্দে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হলেও, বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি এখনও শিক্ষা ও নারী স্বাধীনতার স্বপ্ন পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত করতে পারেনি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মাধ্যমিক স্তরের আগে প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দেয় এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পৌঁছানোর আগে এই হার দাঁড়ায় প্রায় ৩০ শতাংশে।

তবে আশার আলো দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থায় থাকা বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) এর সঙ্গে একীভূত হচ্ছে। বাংলা একাডেমির সহযোগিতায় কেন্দ্রটি পুনরায় গবেষণা ও অধ্যয়নের জন্য চালু হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন। এতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কেন্দ্রটিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে নতুন করে জোরালো হচ্ছে বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ দেশে আনার দাবি। ১৯৩২ সালে মৃত্যুর পর তাকে কলকাতার সোদপুর পানিহাটিতে দাফন করা হয়। ২০০৯ সালে তার ভাতিজি রণজিনা সাবের ফুপুর এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। ২০১০ সালে আবেদন পাঠানো হলেও গত এক যুগে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

রণজিনা সাবের বলেন, “রোকেয়ার স্মৃতিবিজড়িত সবকিছু পায়রাবন্দে, অথচ তিনি কলকাতার মাটিতে শুয়ে আছেন। বছর বছর আলোচনা হয়, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না।”

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, স্মৃতিকেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া মাত্রই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বেগম রোকেয়ার দেহাবশেষ দ্রুত তার জন্মভূমিতে আনা হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com