ভেনেজুয়েলার সরকার দাবি করেছে, দেশটির বেসামরিক ও সামরিক বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনাকে তারা ‘প্রত্যক্ষ সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। সরকারি এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ তোলা হয়, যার সত্যতা কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা নিশ্চিত করেছে।
সরকারি বক্তব্য অনুযায়ী, রাজধানী **কারাকাস**সহ মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের একাধিক স্থাপনা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। কারাকাসের অভিযোগ, এসব হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের অংশ, যার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই প্রচেষ্টা সফল হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নিকোলাস মাদুরো–র নেতৃত্বাধীন সরকার।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম CBS News জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর নির্দেশেই ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে একাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক স্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সব প্রশ্ন হোয়াইট হাউস–এর কাছে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিএস।
এই ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এখন পর্যন্ত হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের নির্দিষ্ট তথ্য কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।