শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘একজন মেয়ে কীভাবে চলবে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি’ : মারদিয়া মমতাজ রংপুরসহ ৫ বিভাগে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পদ্মা সেতুর পথেই এগোচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, দ্রুত একনেকে যাচ্ছে প্রকল্প : পানিসম্পদ মন্ত্রী তিস্তা ব্যারেজে তিন মন্ত্রীর পরিদর্শন, মহাপরিকল্পনা নিয়ে বাড়ছে প্রত্যাশা সোনার দাম ভরিতে আরও কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত অবশেষে সেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুটি খোলাসা করলেন সাবেক উপদেষ্টা ভয়াবহ ট্যাকলে গুরুতর চোট, স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন কানাডার ইসমাইল কোনে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদের অভিযোগ, তারাগঞ্জ মাদ্রাসায় নতুন বিতর্ক রৌমারী সীমান্তে ৯৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার একই পরিবারের ৪ সদস্য, শূন্যরেখায় এখনও ৫ জন

রংপুরে স্পিরিট কাণ্ড: কারাগারে বন্দি স্পিরিট বিক্রেতা জয়নুল আবেদিনের মৃত্যু

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫০ জন সংবাদটি দেখেছেন
রংপুরে স্পিরিট কাণ্ড: কারাগারে বন্দি স্পিরিট বিক্রেতা জয়নুল আবেদিনের মৃত্যু

রংপুর কারাগারে বন্দি থাকা মাদক কারবারি জয়নুল আবেদিন (৪৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

জয়নুল আবেদিন বদরগঞ্জ উপজেলার কিশামত বসন্তপুর নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আনারুল ইসলামের ছেলে। রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রির অভিযোগে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জয়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে মাদক ও হত্যা সংক্রান্ত মামলা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে কারাগার থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে রেকটিফাইড স্পিরিট পানজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার রাতে রংপুরের শ্যামপুর বাজার এলাকার রাশেদুল ইসলাম ও আব্দুল মালেক নামে দুইজন মারা যান। এর আগে একই দিন সকালে মানিক চন্দ্র রায় (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তারা সবাই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

মানিক চন্দ্র রায় রংপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে।

এর আগে রোববার রাতে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩০), বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং রংপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর শাহপাড়া এলাকার জেনতার আলী (৪১) নিজ নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা যান।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ জানুয়ারি) তারা কিশামত বসন্তপুর নয়াপাড়া গ্রামের জয়নুল আবেদিনের কাছ থেকে রেকটিফাইড স্পিরিট কিনে পান করেন। পরে রাতে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সোহেল, আলমগীর ও জেনতার আলীর মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে মানিক চন্দ্র রায়, আব্দুল মালেক ও রাশেদুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এই ঘটনায় পুলিশ ১০ বোতল রেকটিফাইড স্পিরিটসহ বিক্রেতা জয়নুল আবেদিনকে আটক করে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com