মিঠাপুকুরের মির্জাপুর ইউনিয়নের বৈরাতি হাট এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কোচিং এর শিক্ষক রাকিব মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে।
জানা যায়, অভিযুক্ত রাকিব ইমাদপুর ইউনিয়নের বানিয়ারজান গ্রামের বাসিন্দা। মির্জাপুর ইউনিয়নের বৈরাতিহাটে রাকিব মিয়া ‘চ্যালেঞ্জ কোচিং সেন্টার’ পরিচালনা করেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ, প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে কয়েক দিন ধরে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে তাকে একা রেখে ধর্ষণ করা হয়। প্রতিবাদ করলে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সে তার বাবা-মা ও স্বজনদের জানায়। একইভাবে আরও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগও উঠেছে রাকিব মিয়ার বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে আপসের ঘরোয়া বৈঠকে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে ‘টাইম পাস’ করেছে বলে দাবি করলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ করেন। ওসি নুরুজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।