দীর্ঘ দুই দশক পর রংপুর সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঘিরে রংপুরজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বৃহৎ জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে, আর নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই সফর রংপুর বিভাগের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন পরিবর্তন আনতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, মহানগর আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। তারা মাঠে বিভিন্ন প্রস্তুতির অগ্রগতি দেখে নির্দেশনা দেন এবং জনসভা সফল করতে নেতাকর্মীদের তৎপর থাকার আহ্বান জানান।
জনসভাস্থলে মঞ্চ, ব্যানার, সাউন্ড সিস্টেমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে দ্রুতগতিতে। ঢাকার ‘রাজ সাউন্ড’-এর অপারেটর মেহেদী হাসান জানান, মাঠ ও আশপাশে দুই শতাধিক মাইক স্থাপনের কাজ চলছে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত আরও ২০টি মাইক ব্যবহার করা হবে।
রংপুর মহানগর ওলামা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আজিজুল ইসলাম বলেন, “প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে আমরা দীর্ঘদিন অপেক্ষায় ছিলাম। কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত ঘনিয়ে এসেছে।”
রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপি নেতারা বলেন, তারেক রহমানের সফর নেতাকর্মীদের আরও উজ্জীবিত করেছে। তারা আশা করছেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে রংপুরকে ‘বৈষম্যহীন উন্নয়নধারায়’ নিয়ে যাওয়া হবে।
নির্বাচনি সফরে শুক্রবার রংপুরে জনসভাস্থলে যাবার পথে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে তিনি রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন। ওইদিন রাতে রংপুর থেকে বগুড়ায় ফিরবেন। সেখানে রাতযাপন করে পরদিন শনিবার সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান।