বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন আইনে নারীর বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫১ জন সংবাদটি দেখেছেন

আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের নতুন দণ্ডবিধি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। ৯০ পৃষ্ঠার এই আইনে নারীদের বিচার পাওয়ার পথ আরও সংকুচিত করা হয়েছে। সবচেয়ে বিতর্কিত ধারাটি হলো—শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলতেও নারীর প্রয়োজন হবে স্বামীর অনুমতি। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এই আইনের মাধ্যমে পারিবারিক সহিংসতাকে কার্যত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্টে।

শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু বিচার চাইতে হলে লাগবে নির্যাতনকারী স্বামীরই অনুমতি। এমনই অদ্ভুত ও কঠোর আইন জারি করেছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। ৯০ পৃষ্ঠার নতুন দণ্ডবিধি ‘দে মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ এখন দেশটির আদালতে।

আইনে সমাজকে ৪টি স্তরে ভাগ করে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যেখানে শীর্ষ স্তরের মোল্লাদের জন্য লঘু শাস্তি থাকলেও নিম্নবিত্তের জন্য রয়েছে বেত্রাঘাত। তবে সবচেয়ে বিপদে নারীরা।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, স্বামীরা চাইলে স্ত্রীকে বিবেচনামূলক শাস্তি বা ‘তাজির’ হিসেবে মারধর করতে পারবেন। অভিযোগ করতে চাইলে নারীকে অবশ্যই স্বামী বা পুরুষ অভিভাবক (মাহরাম) নিয়ে আদালতে যেতে হবে। অথচ অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বামী নিজেই। ফলে অভিযোগ করার পথই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এমনকি নির্যাতনের প্রমাণ দিতে বিচারকের সামনে ক্ষতস্থান দেখাতে হবে, তাও আবার কঠোর পর্দা মেনে—যা বাস্তবে অসম্ভব।

৩৪ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাবার বাড়ি গেলে বা না ফিরলে নারী ও তার আশ্রয়দাতাকে ৩ মাসের জেল দেওয়া হবে। এতে নির্যাতিত নারীদের পালিয়ে বাঁচার পথও রুদ্ধ হয়েছে।

এই দণ্ডবিধি নিয়ে সমালোচনা করাকেও অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে তালেবান। ভয়ের চাদরে ঢাকা আফগানিস্তানে নারীদের কান্না শোনার মতো কেউ নেই।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com