৬০ বছর বয়সী এক হাকিমের সঙ্গে তরুণীর বিয়ে ঘিরে পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় চলছে। বিয়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম The Express Tribune এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেদক নবদম্পতির সাক্ষাৎকার নেন, যেখানে হাকিম দাবি করেন—তাদের বিয়ে একই সঙ্গে প্রেম ও পারিবারিক আয়োজন—দুটোরই সমন্বয়।
সাক্ষাৎকারে হাকিম বলেন— “আমরা আগে থেকেই একে অপরকে পছন্দ করতাম, পরে পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেছি। এখানে কোনো ভুল নেই, কারণ এটি ইসলামসম্মত ও বৈধ সম্পর্ক।”
তার পাশে থাকা স্ত্রীও বলেন—“সত্যিকারের ভালোবাসা হলে বয়স কোনো বিষয় নয়। আন্তরিক অনুভূতি থাকলে বিয়ে বিলম্ব করারও প্রয়োজন নেই।”
হাকিম আরও অভিযোগ করেন, “যারা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন, তাদের অনেকেই নিজেরাই অবৈধ সম্পর্কে জড়ান। আমরা তো শরিয়ত মেনে বৈধভাবেই বিয়ে করেছি।”
বিয়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে— অনেকে বয়সে বড় ব্যবধান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
অন্যরা বলছেন, বৈধ সম্পর্কই ধর্ম ও নৈতিকতার পথ—অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর চেয়ে বিয়ে করা উত্তম। বিয়ে নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে—প্রেম বনাম বয়সের ব্যবধান, সামাজিক মানসিকতা, বৈধ সম্পর্ক নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ড
নেটদুনিয়ার বিতর্ক চললেও দম্পতি নিজেদের সিদ্ধান্তকে “শরিয়তসম্মত” এবং “ব্যক্তিগত পছন্দ” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।