শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে গাছে অজ্ঞান যুবক, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল মদ-সিগারেটের ট্যাক্স বাড়ানোয় বিরোধী দল নাখোশ : প্রধানমন্ত্রী বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব : এফবিসিসিআই ভিনি-রাফিনিয়ার কাঁধে ব্রাজিলের হেক্সা স্বপ্ন ভারতের পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, কুলাউড়া সীমান্তে উত্তেজনা তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বরাদ্দ স্পষ্ট না হওয়ায় ধোঁয়াশা: নজরুল ইসলাম হক্কানী রংপুরের ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার বিশ্বকাপ নিয়ে অস্বস্তিকর অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানি সমর্থকরা

কীভাবে জামায়াতকে হারানো হয়েছে তা গোটা দেশের মানুষ জানে,এমপি রফিকুল ইসলাম

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ

জামায়াতে ইসলামীসহ নির্বাচনী রাজনীতির নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরে পিলখানা হত্যাকাণ্ড স্মরণসভায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন,
“কীভাবে জামায়াতকে হারানো হয়েছে, তা গোটা দেশের মানুষ জানে। ভোট পড়েছে দাঁড়িপাল্লায়, আর পাস করানো হয়েছে অন্যজনকে।”

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পল্টনস্থ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের নৃশংস হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম খান বলেন—
“এটা কোনো সাধারণ হত্যাকাণ্ড ছিল না, বরং পরিকল্পিতভাবে দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দুর্বল করার ‘মাস্টারপ্ল্যান’।”তিনি দাবি করেন,“৪/৫ জন নয়, পিলখানায় ঠান্ডা মাথায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হলেন। অথচ এই কর্মকর্তাদের সাথে ‘ডালভাত কর্মসূচি’র কোনো সম্পৃক্ততাই ছিল না।”

সরকার ও সেনাপ্রধানের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন—
“দুদিনব্যাপী হত্যাকাণ্ডের সময় সরকার কী করেছে? নিহতদের পরিবারের আর্তনাদ যখন আকাশে ভাসছিল, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুচকি হাসছিলেন।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন—“জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে নেতৃত্বশূন্য করার জন্যও। তা সত্ত্বেও জামায়াত শেষ হয়নি—বরং গত নির্বাচনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।”

রফিকুল ইসলাম খান জানান—“পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট আজও প্রকাশ হয়নি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাপ্রধান মঈন উ আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”তিনি আরও বলেন“হত্যাকাণ্ডের পর বিডিআরের যেসব কর্মকর্তা অস্বাভাবিকভাবে পদোন্নতি পেয়েছেন, তাদেরও তদন্তের আওতায় আনা জরুরি।”

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com