বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

যমুনাতেই উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫০ জন সংবাদটি দেখেছেন

আরএনবি ডেস্কঃ

রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে সরকারি বাসভবন হিসেবে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপত্তা, সচিবালয় ও তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দ্রুত যাতায়াত—সবকিছু বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণপূর্ত অধিদপ্তর ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বর্তমানে যমুনায় অবস্থান করছেন সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি বাসভবন ছাড়বেন। এরপর প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উঠবেন।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রমজানে ইফতার আয়োজন এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরে অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়—উভয় অনুষ্ঠানই যমুনায় আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সে অনুযায়ী সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করার প্রস্তুতি চলছে।

যমুনার আয়তন প্রায় ৩.২৫ একর। এর পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলোবাড়িতে বর্তমানে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা থাকছেন। ইউনূস যমুনা ছাড়লে এই দুটি বাংলো প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ইউনিটের জন্য বরাদ্দ হবে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের দিন বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুরের পর ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে সেখানে জাদুঘরের নির্মাণকাজ চলছে।ফলে গণভবনে আর প্রধানমন্ত্রীর বসবাস করার সুযোগ নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষদিকে প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন—এ নিয়ে ৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। তারা রাজধানীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা এবং এর পাশের দুই বাংলোবাড়িকে সমন্বিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে সুপারিশ করে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর নিশ্চিত করেছে, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য বাসা বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। সংস্কার শেষ হলে ঈদের পর তারা নিজ নিজ সরকারি বাসায় উঠতে পারবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আগে থেকেই মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতে থাকছেন এবং সেখানেই থাকবেন বলে জানিয়েছে পরিদপ্তর।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার শপথ নেয়। এরপর থেকেই হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোডের বাংলোবাড়িগুলো—যা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত—এক এক করে ছাড়ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com