মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরে বৈশ্বিক তেলের মানদণ্ড Brent Crude-এর দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে মার্কিন মানদণ্ড WTI Crude ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪ দশমিক ৬ ডলারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত পাওয়ায় দাম কমেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বিনিয়োগ ব্যাংক Goldman Sachs এক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, বড় ধরনের সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হলে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই উচ্চমূল্য ২০২৭ সাল পর্যন্তও স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তারা ইরানের প্রধান জ্বালানি স্থাপনায় নতুন করে হামলা না চালানোর বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর আহ্বানে সাড়া দেবে। এ ঘোষণার পর বাজারে কিছুটা স্থিতি ফিরে আসে।
এর আগে ইরান-এর সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে কাতারের রাস লাফান-এ পাল্টা হামলার ঘটনায় তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যেকোনো সময় নতুন করে তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আপাতত দাম কমলেও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।