শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনার দাম ভরিতে আরও কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত অবশেষে সেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুটি খোলাসা করলেন সাবেক উপদেষ্টা ভয়াবহ ট্যাকলে গুরুতর চোট, স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন কানাডার ইসমাইল কোনে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদের অভিযোগ, তারাগঞ্জ মাদ্রাসায় নতুন বিতর্ক রৌমারী সীমান্তে ৯৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার একই পরিবারের ৪ সদস্য, শূন্যরেখায় এখনও ৫ জন পরিমনি কাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন দিনাজপুরে অটোরাইস মিল মালিকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ, হত্যার অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত, পারিবারিক কলহে মর্মান্তিক ঘটনা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা জোভান, ভক্তদের দিলেন সতর্কবার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে জ্বালানি খাতে ধাক্কা, প্রশ্নে বিনিয়োগ আস্থা

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭০ জন সংবাদটি দেখেছেন

অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে দেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন বসুন্ধরা কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রকল্পপ্রধান জাকারিয়া জালাল। তিনি দাবি করেন, সৌরবিদ্যুৎ খাতে বড় ধরনের সম্ভাবনাময় একাধিক প্রকল্প বাতিলের ফলে বিনিয়োগ ও জ্বালানি নিরাপত্তা—দুই ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাকারিয়া জালাল বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় দুই বছর ধরে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত হওয়া ৩০টির বেশি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এক নোটিশে বাতিল করা হয়। এসব প্রকল্প থেকে প্রায় ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল এবং প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ আসতে পারত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্প উন্নয়নকারীরা ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগও করেছিলেন, যা পরবর্তী ধাপে আরও বড় আকারে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল।

প্রকল্প বাতিলের পেছনে জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, পদ্ধতিগত অনিয়ম এবং জাতীয় গ্রিডের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কথা বলা হলেও, এত বড় পরিসরে একসঙ্গে বাতিলের সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি ঘাটতি, আমদানিনির্ভরতা এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ জরুরি ছিল। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের ফলে—

  • বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে
  • নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রগতি পিছিয়েছে
  • আমদানিকৃত এলএনজি ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে
  • জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে

জাকারিয়া জালাল প্রশ্ন তোলেন, পুরো প্রকল্প বাতিল না করে সংশোধনের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল কি না। তার মতে, এতে সময়, বিনিয়োগ এবং জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা—সবই রক্ষা পেত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের জ্বালানি মিশ্রণে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য অর্জনে বড় ভূমিকা রাখতে পারত।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com