আরএনবি অনলাইন ডেস্কঃ
তীব্র গরমের মধ্যে বাড়তি লোডশেডিংয়ে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়ছে শিল্প, কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনের নানা খাতে। ফলে কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে—এ প্রশ্নই এখন সবার মুখে মুখে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে ত্রুটি থাকায় বর্তমানে অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টেও উৎপাদন কমে গেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৬ এপ্রিল থেকে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ আমদানি পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকেও ২৮ এপ্রিলের মধ্যে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানান, ২৮ এপ্রিলের পর প্রায় ১,৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে, যা সংকট কিছুটা কমাতে সহায়ক হবে। এছাড়া বন্ধ থাকা আরএনপিএন ইউনিট চালু করা গেলে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মোট সরবরাহ প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বাড়তে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন মনে করেন, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করে সাময়িকভাবে লোডশেডিং কমানো সম্ভব হলেও এতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। ফলে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।