চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদে গুলি করে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সৈয়দুল করিমসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মো. আমিরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- মো. আব্দুল মান্নান (৩৭), মো. ইউনুচ মিয়া (২৪), মো. আয়াতুল্লাহ আলী আদনান (২১), মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ খোকন (৪৮) ও আজগর আলী (৩৯)।
পুলিশ জানায়, গত ৭ মে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে নগরের বায়েজিদ এলাকার রৌফাবাদ শহীদ মিনারের পাশে বাঁশবাড়িয়া গলিতে আব্দুল হাইয়ের বাড়ির দেলোয়ারের ভাড়াঘরের সামনে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গুলি চালায়। এতে মো. হাসান প্রকাশ রাজু (২৪) নিহত হন। এ ঘটনায় রেশমি আক্তার (১১) গুরুতর আহত হয়।
ঘটনার পর নিহতের মা সকিনা বেগম (৬৩) বায়েজিদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে সিসিটিভি ফুটেজ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজারের সুগন্ধা সি-বিচ এলাকা থেকে প্রধান আসামি সৈয়দুল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং ঘটনার সময় পরিহিত পোশাক উদ্ধার করে পুলিশ।
এছাড়া আসামিদের বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ওই সিএনজির চালক আব্দুল মান্নানকে ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর করিমকে সহায়তাকারী হিসেবে ইউনুচ মিয়া ও আলী আদনানকে রৌফাবাদ ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সিএনজি চালকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবু বক্কর ছিদ্দিক ও আজগর আলীকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, “বায়েজিদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবশিষ্ট আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”