বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফাউল করেও কেন রেফারির নজর এড়িয়ে গেলেন মেসি? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে, শ্রীমঙ্গলে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অংশ নেবেন এআই দিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিয়ে ছবি ছড়ানোর অভিযোগ, থানায় আর্জেন্টিনা সমর্থক কারমাইকেল কলেজে শিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি ভারতীয় টমেটো আমদানি বন্ধের দাবিতে পঞ্চগড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখায় ৯ বাংলাদেশি, অসুস্থ শিশুদের নিয়ে মায়ের আকুতি ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় কারাগারে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের খবরে তেলের মূল্য পূর্বাভাস কমাল বড় ব্যাংকগুলো

ইরান–ইসরায়েল সংঘাতে কূটনৈতিক চাপে পাকিস্তান

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ জন সংবাদটি দেখেছেন

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া উত্তেজনা পাকিস্তানকে জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির মুখে ফেলেছে। একদিকে প্রতিবেশী দেশ ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক, অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা—এই দুই বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন ইসলামাবাদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে লাখো পাকিস্তানি শ্রমিক কাজ করেন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে তার অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত প্রভাব সরাসরি পাকিস্তানের ওপর পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

গত বছর সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তান একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, এক দেশের ওপর হামলাকে দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান যদি সৌদি আরবের ওপর হামলা বাড়ায়, তাহলে পাকিস্তানের অবস্থান কী হবে—তা নিয়ে দেশটিতে আলোচনা বাড়ছে।

এখন পর্যন্ত পাকিস্তান মূলত কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইসলামাবাদ ইরান ও সৌদি আরব—দুই দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ বাড়িয়ে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের জন্য ইরানকে সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা সহজ নয়। কারণ দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ দেখা গেছে। দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিয়া মুসলিম বসবাস করায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না। তবে পরিস্থিতি জটিল হলে সৌদি আরবকে আকাশ প্রতিরক্ষা বা সীমিত সামরিক সহায়তা দিতে পারে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংকটে পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা হতে পারে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নেওয়া।

সূত্র: আল জাজিরা

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2025 rnbnews24
Theme Download From ThemesBazar.Com