নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা ঘোষণা দিয়েছেন—“প্রজ্ঞাপন ছাড়া রাজপথ ছাড়বো না।” সাদা কাপড় পরে আসার বিষয়ে তারা বলেন, “প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে-স্কেল আদায় করেই ফিরবো।”
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন এবং স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখর করে তোলেন।
নরসিংদী থেকে আসা সরকারি কর্মচারী হালিমা আক্তার বলেন, “৯ বছর ধরে আমাদের বেতন একই জায়গায়। টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল–ডাল–তেলের দাম আকাশছোঁয়া। এই বেতনে সন্তান পড়াবো, নাকি বাসা ভাড়া দেবো—কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, ন্যায্য পে-স্কেল চাই।”
তিনি আরও বলেন, “পে কমিশন রিপোর্ট জমা হয়েছে, তবুও প্রজ্ঞাপন আটকে রাখা—এটা আমাদের প্রতি অন্যায়।”
অন্য এক সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, “বারবার আশ্বাস শুনে ক্লান্ত আমরা। আজ লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই। সাদা কাপড় পরে এসেছি—এটা বার্তা যে প্রয়োজনে জীবন দেব, কিন্তু পে-স্কেল ছাড়া ফিরবো না।”
যমুনা প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি চলতে থাকায় এলাকা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সরকারি কর্মচারীরা বলছেন, “আমরা আজ সিদ্ধান্ত নিতে এসেছি। প্রতিশ্রুতি নয়—প্রজ্ঞাপন চাই।”
যমুনার সামনে অবস্থান থেকে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট ঘোষণা দেন—নির্বাচনের আগেই নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আজকের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে। যেখানেই বাধা দেওয়া হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।