আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারের ওপর সুনির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রিজাইডিং অফিসার ও সাংবাদিকসহ ৫ শ্রেণির ব্যক্তি মোবাইল ফোন রাখতে পারলেও সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত। বিস্তারিত রিপোর্টে।
ভোটের দিন কারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন আর কারা পারবেন না—এ নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কেবল ৫ ধরনের ব্যক্তি মোবাইল ফোন সাথে রাখতে পারবেন।
তারা হলেন—প্রিজাইডিং অফিসার, কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা, ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহারকারী ২ জন আনসার সদস্য, সংবাদ সংগ্রহে থাকা সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষক। এছাড়া প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজেন্টরাও ফোন রাখতে পারবেন।
তবে ভোটকেন্দ্রে কর্মরত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার এবং পোলিং এজেন্টদের জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ভোটাররা ফোন সাথে রাখতে পারলেও গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেস) তা ব্যবহার করতে পারবেন না।
ইসি জানিয়েছে, ভোটের পবিত্রতা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান। নির্দেশনার অনুলিপি ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।