বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বছরের শেষেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

চলতি বছরের শেষের দিকেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্পের জটিলতা দ্রুত নিরসন এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১ আগস্ট) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ি এলাকায় নদীভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পানি সংরক্ষণ, নদীর দুই তীরের স্থায়ী সুরক্ষা এবং আধুনিক ব্যারেজ নির্মাণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। তিনি বলেন, এত বড় প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অন্তত পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।

বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৬৭ সালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও দীর্ঘদিনে পলি জমে নদীটির নাব্যতা হারিয়ে যায়। পরে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্যাকেজে পুনঃখনন প্রকল্প শুরু হলেও রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন জটিলতায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ মাসের মধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে প্রকল্পটির স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মামলা-মোকদ্দমাসহ সব ধরনের জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিস্তা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ি এলাকায় বহু মানুষের বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহার করে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমাদের সরকারের অঙ্গীকার, একটি মানুষের একটি ঘর, এক বিঘা জমি, এমনকি এক ইঞ্চি জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়।”

এ সময় তিনি ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তিস্তা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরু এবং জিওটেক্সটাইল, জিও ব্যাগ ও জিও টিউবের গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া শোনেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রংপুর অঞ্চল সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল সরকার, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী, নীলফামারী পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম জাকারিয়া, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com