জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, চাঁদাবাজির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে বাজারে পণ্যের দাম কমে আসবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ আট দফা দাবিতে আগামী ১৯ মার্চ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণার উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সময় সাধারণত জিনিসপত্রের দাম বাড়ে। কিন্তু এখন কেন বাড়ছে? আসতে চাঁদা, যাইতে চাঁদা। এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমে যাবে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না, যদিও গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পতিত সরকারের নেতাদের বাসা থেকে সার উদ্ধার হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিএনপি গণভোটের শপথ ও গণরায়ের বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ বিষয়ে সংসদে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি। এজন্য দলটি রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিগত ১৬ বছরে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে দাবি করে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, দলের একাধিক শীর্ষ নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে এবং কারাগারে হত্যা করা হয়েছে। পতনের আগে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হলেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদেরই দেশ ছাড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আবিদুর রহমান সোহেল, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির মাওলানা শাহিনুর আলম, জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।