বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় ফল ব্যবসায়ীকে বিষপানে হত্যা, আদালতে স্বীকারোক্তি

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

ধারের টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ার ফল ব্যবসায়ী ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুমকে (৩৭) কফির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে ধানখেতে ফেলে দেওয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন আসামি নাজিম উদ্দিন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বগুড়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে নাজিম হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি জানান, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে সহযোগী মো. স্বপনের সঙ্গে মিলে বন্ধু ওয়াহেদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পলাতক স্বপনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একটি বেসরকারি সংস্থায় বাবুর্চির কাজ করার সময় ওয়াহেদের সঙ্গে নাজিম ও স্বপনের পরিচয় ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পরে ওয়াহেদ তার মায়ের নামে নেওয়া একটি এনজিও ঋণ থেকে স্বপনকে দুই লাখ এবং নাজিমকে এক লাখ টাকা ধার দেন। সম্প্রতি ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৭ আগস্ট বিকেলে ওয়াহেদকে মালগ্রাম এলাকার একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়ে ডেকে নেন নাজিম ও স্বপন। সন্ধ্যায় কফির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে পান করালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে মারা যান। পরে রাতে তার লাশ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মালগ্রাম মধ্যপাড়া দীঘিপাড় এলাকার একটি ধানখেতে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ওই রাতেই তারা কার্যালয়ে অবস্থান করেন এবং পরদিন চাকরি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত ওয়াহেদ হোসেন শহরের সূত্রাপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্টেশন সড়কে বাবার সঙ্গে ফলের আড়ত পরিচালনা করতেন। গত ৭ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরে ১২ আগস্ট মালগ্রামের একটি ধানখেত থেকে তার বস্তাবন্দি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হলেও পরে পোশাক ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে স্বজনরা তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় গত ১০ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই সোহেল হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ কাহালু উপজেলার মদনাই গ্রাম থেকে নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com