মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

মাকে মারধর করলে কী করবেন? ইসলামের দৃষ্টিতে করণীয় জানালেন আলেম

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৭ জন সংবাদটি দেখেছেন

মাকে মারধর করা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু একটি সামাজিক অপরাধ নয়, বরং অত্যন্ত গুরুতর গুনাহ। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যদের কী করা উচিত, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা বিমানবন্দরের জামিয়া বাবুস সালামের মুফতি ও মুহাদ্দিস জাওয়াদ তাহের।

সম্প্রতি এক প্রশ্নোত্তর পর্বে একজন জানতে চান, তার এক ভাই নিয়মিত মাকে মারধর করেন। এ অবস্থায় তার করণীয় কী?

জবাবে মুফতি জাওয়াদ তাহের বলেন, ইসলামে অন্যায় দেখলে তা প্রতিহত করার নির্দেশ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেউ অন্যায় দেখলে সে যেন হাত দিয়ে তা প্রতিরোধ করে, তা সম্ভব না হলে মুখে প্রতিবাদ করে এবং সেটিও সম্ভব না হলে অন্তরে ঘৃণা করে। এটি ঈমানের দুর্বলতম স্তর।

তিনি বলেন, মায়ের ওপর নির্যাতন হলে প্রথম দায়িত্ব হলো তাকে রক্ষা করা। নির্যাতনকারীকে বাধা দেওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া পরিবারের সদস্যদের ঈমানি দায়িত্ব।

যা করতে হবে

মাকে মারধরের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেওয়া। পরিবারের প্রবীণ সদস্য ও আত্মীয়স্বজনকে বিষয়টি জানানো। সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের সম্পৃক্ত করা। নির্যাতনকারীকে ইসলামের শিক্ষা ও পরিণতি সম্পর্কে বোঝানো। পরিস্থিতি গুরুতর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া।

মুফতি জাওয়াদ তাহের বলেন, ইসলামে মজলুমকে রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং মায়ের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও বৈধ।

কোরআন-হাদিসে মা-বাবার মর্যাদা

তিনি উল্লেখ করেন, আল্লাহ তাআলা কোরআনে নিজের ইবাদতের নির্দেশের পরপরই মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহারের কথা বলেছেন। সূরা বনি ইসরাইলে বলা হয়েছে, মা-বাবাকে ‘উফ’ শব্দটিও বলা যাবে না এবং তাদের সঙ্গে সম্মানজনক ভাষায় কথা বলতে হবে।

ইসলামি শিক্ষায় মা-বাবার অবাধ্যতাকে অন্যতম বড় গুনাহ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। বিভিন্ন হাদিসে মা-বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কঠিন পরিণতির কথা উল্লেখ রয়েছে।

আলেমের সতর্কবার্তা

মুফতি জাওয়াদ তাহের বলেন, মায়ের গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি পারিবারিক বন্ধন নষ্ট করে এবং ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্য ক্ষতিকর। তাই এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একসঙ্গে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি সবাইকে মা-বাবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের সন্তুষ্টির মধ্যেই রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com