মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

চুয়েটে টানা সাত দিন অচলাবস্থা, সাবেক উপাচার্য সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬০ জন সংবাদটি দেখেছেন

সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা সাত দিন ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি, পথনাট্য ও ‘প্রশ্নযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ফলে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য অধ্যাপক সায়েমকে অপসারণের কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তাকে পুনরায় দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ‘৫৬?’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তাদের ভাষ্য, মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে একজন উপাচার্যকে কেন অপসারণ করা হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর তারা জানতে চান।

পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান বলেন, “আমাদের প্ল্যাকার্ডে ৫৬-এর পাশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে চেয়েছি, ৫৬ দিনের মধ্যেই কেন অধ্যাপক সায়েমকে সরিয়ে দেওয়া হলো।”

চুয়েট শিক্ষক সমিতি উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। একইসঙ্গে কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের আপত্তি নতুন উপাচার্যের ব্যক্তিগত যোগ্যতা নিয়ে নয়। বরং কোনো দৃশ্যমান ব্যাখ্যা ছাড়া জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য একজন উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই তাদের অবস্থান।

গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে ২৭ জুলাই অধ্যাপক সায়েম উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাত থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, অধ্যাপক সায়েম দায়িত্ব নেওয়ার পর গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যেত বলে তাদের বিশ্বাস।

তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

এদিকে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম বলেছেন, “গুটি কয়েক শিক্ষার্থী আন্দোলনের নামে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। খুব দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com