মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে অন্য রকম পরিস্থিতি হতো: দীনেশ ত্রিবেদী

  • সবশেষ আপডেট : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭১ জন সংবাদটি দেখেছেন
শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে অন্য রকম পরিস্থিতি হতো: ভারতীয় হাইকমিশনার
শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে অন্য রকম পরিস্থিতি হতো: ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান ভারতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া তৎকালীন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির সামনে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর ভাষ্য, ভারত যদি ওই বিমানকে অবতরণের অনুমতি না দিত, তাহলে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারত।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি) ২০২৬’-এর একটি কর্ম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত কবে প্রত্যর্পণ করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা ভারতের সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের সময় শেখ হাসিনা বাংলাদেশি সামরিক বিমানে ভারতে গিয়েছিলেন। ওই সময় প্রাণহানির ঘটনাকে বিয়োগান্তক বলেও উল্লেখ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

দীনেশ ত্রিবেদীর ভাষ্য, শেখ হাসিনা যখন ঢাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ভারত এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না।

তিনি বলেন, ওই পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে কী পরিস্থিতি তৈরি হতো, তা বলা কঠিন। পুরোনো বন্ধু হিসেবে তখন ভারতের যা করা প্রয়োজন ছিল, ভারত সেটিই করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়েও কথা

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্নের উত্তর দেন দীনেশ ত্রিবেদী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। কোন দেশের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলবে বা বজায় রাখবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।

ভারতীয় হাইকমিশনারের মতে, সত্যিকারের প্রতিবেশী অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করে না। দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কে মতপার্থক্য বা ভুল-বোঝাবুঝি থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা চলছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকের পরও দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সংলাপ ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত করার প্রত্যাশার কথা ভারতকে জানিয়েছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com