এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট নিরসন করে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা, জ্বালানি নীতিতে পরিবর্তন, দাম বাড়ানোর আগে গণশুনানি, মজুতদারি বন্ধ এবং বাজারে কঠোর মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।
রোববার (৪ অক্টোবর) দলের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকারিভাবে এলপিজির দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বাজারে সিলিন্ডারের সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির কারণে জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত সংকট নিরসন করে এলপিজির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তারা বলেন, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে স্বস্তি ফেরানো এবং উৎপাদন খাতকে গতিশীল করার পরিবর্তে দাম বাড়ানোর নীতি অর্থনীতিতে স্থবিরতা ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা আরও বলেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বাজারে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারকে নজরদারি বাড়াতে হবে।
তাদের দাবি, অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে জ্বালানির দাম যতটা সম্ভব না বাড়ানোর নীতি গ্রহণ করতে হবে। যেকোনো জ্বালানির দাম বাড়ানোর আগে গণশুনানির আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে মজুতদারি বন্ধ এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারে কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে।
নেতারা বলেন, নির্ধারিত দামের বাইরে যাতে কোনো ব্যবসায়ী এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত বাজার তদারকি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।