গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট কাজ করছে। আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনাবাহিনীর একটি দল। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে পাশের একটি ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে টঙ্গীর বেক্সিমকো রোডে অবস্থিত কারখানাটিতে আগুন লাগে।
দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিজস্ব পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে সহায়তা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানার ভেতরে ওষুধ, কেমিক্যাল, ধাতব পদার্থ ও উৎপাদনসংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি থাকায় আগুনের তীব্রতা অনেক বেশি। প্রচণ্ড তাপ, ঘন ধোঁয়া ও কেমিক্যালের তীব্র গন্ধের কারণে ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, সকাল ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়লে পর্যায়ক্রমে আশপাশের আরও ইউনিট যুক্ত হয়। গাজীপুর, ঢাকা ও আশপাশের এলাকার ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোও আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সর্বশেষ ১৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের একটি ভবনে আগুন লাগে। পরে তা পাশের একটি পেনসিলিং ভবনের চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়।
কারখানার ভেতরে দাহ্য ও শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণ থাকায় আগুনের বিস্তার এবং ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।