মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

রংপুর-গাইবান্ধায় ১০ স্থানে তীব্র অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক: মাঠে অনুসন্ধান দল

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২১৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (DLS) গঠন করেছে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধান দল, যারা আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করছে এবং নমুনা সংগ্রহ করছে।

অনুসন্ধান দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অধিদপ্তরের এপিডেমিওলজি সেলের ডা. ফয়সাল তালুকদার এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ডা. তায়ফুর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) অনুসন্ধান দলটি রংপুরের কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার কয়েকটি এলাকায় অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত খামারি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দলটি মৃত গবাদিপশু, ঘাস ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর)।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আরও দুই ব্যক্তির শরীরে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের উপসর্গ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাসার।
তিনি বলেন, “মৌভাষা এলাকা কাউনিয়ার হারাগাছ সংলগ্ন। যেহেতু আশপাশে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে, তাই আমরা সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের নমুনা পাঠিয়েছি।”

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গবাদিপশুর সংগৃহীত ১১টি মাংসের নমুনার মধ্যে ১০টিতেই অ্যানথ্রাক্স পজিটিভ পাওয়া গেছে। আক্রান্ত এলাকার পশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে “রিং মডেল” অনুসারে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

ডা. বয়জার রহমান বলেন, “আমরা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছি। সংক্রমণের উৎস শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে আক্রান্ত গবাদিপশুর মৃতদেহ পুঁতে ফেলতে হবে, খোলা জায়গায় ফেলা যাবে না। আক্রান্ত এলাকা থেকে মাংস বা দুধ বিক্রি নিষিদ্ধ করতে হবে এবং পশুগুলোকে দ্রুত টিকা দিতে হবে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com