বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

পীরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪২ জন সংবাদটি দেখেছেন

শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, তবুও তিনি প্রধান শিক্ষক। ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে আত্মীয়স্বজনকে চাকরি দেওয়া এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রংপুরের পীরগঞ্জের বারুদহ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পাহাড় জমলেও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। এমনকি প্রতিবাদ করায় দাতা সদস্যের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিস্তারিত রংপুরের অনুসন্ধানী রিপোর্টে।

শিক্ষার আলো ছড়ানোর কথা যার, সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অন্ধকার অভিযোগ। রংপুরের পীরগঞ্জের বারুদহ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম। অভিযোগ, তিনি এসএসসি ও বিএ-তে তৃতীয় বিভাগে পাস করেও তথ্য গোপন করে অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে আছেন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নূর ইসলাম দাবি করেন, আব্দুল হালিম ও তার মামা হারুনের নিয়োগ হয় ১৯৯৮ সালে। কিন্তু তারা ১৯৯৫ সালের ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেতন তুলছেন।

প্রতিষ্ঠাতার ছেলে ফরহাদ অভিযোগ করেন, আব্দুল হালিম সভাপতিদের ম্যানেজ করে আত্মীয়স্বজনকে ভুয়া নিয়োগ দিয়েছেন। ভুয়া ল্যাব দেখিয়ে এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সেই টাকায় ব্যাংক ঋণ শোধ করেছেন, বানিয়েছেন আলিশান বাড়ি। এমনকি স্কুলের ল্যাপটপও তার মাদকাসক্ত ছেলে দখল করে রেখেছিল বলে অভিযোগ।

সহকারী শিক্ষকরা ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় এমন দুর্নীতি ও অনিয়ম মেনে নিতে পারছেন না এলাকাবাসী। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com