বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

মেডিকেল সনদে ‘চা-মিষ্টি’ খরচ! লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে ঘুষের অভিযোগ

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে মেডিকেল ফিটনেস সনদ নিতে এসে ঘুষের অভিযোগ তুলেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষকরা। অভিযোগের কেন্দ্রে অফিসের প্রধান সহকারী, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘বড়বাবু’ নারায়ণ চন্দ্র।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই সিভিল সার্জন অফিসে ভিড় করেন ২৩৫ জন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক। চাকরির চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে তাদের মেডিকেল টেস্টের রিপোর্ট জমা দিতে হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, এই সুযোগেই প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। ‘রমজান মাসে চা-মিষ্টি খাওয়ার খরচ’ বলে কোনো রশিদ ছাড়াই এই টাকা নেওয়া হয়।

কালীগঞ্জ থেকে আসা এক শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ফিটনেস সনদ নিতে গেলে নির্ধারিত কোনো সরকারি ফি ছাড়াও ২০০ টাকা করে চাওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে নানা অজুহাতে দেরি ও হয়রানির আশঙ্কা দেখানো হয়। বাধ্য হয়েই তারা টাকা দিয়েছেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পাওয়ার পর কিছু সময়ের জন্য টাকা নেওয়া বন্ধ রাখা হয় বলেও জানান তিনি।

অফিস সহায়ক সাহেদ প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বড়বাবু নারায়ণ চন্দ্রের নির্দেশেই তিনি সবার কাছ থেকে টাকা তুলেছেন। কেউ ২০০, কেউ ১০০ টাকা দিয়েছেন। সংগ্রহ করা অর্থ বড়বাবুর কাছেই জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণ চন্দ্র প্রথমে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তারা আসায় টাকা নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। তার বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয়, সিভিল সার্জনের কক্ষের সামনেই এই অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটলেও জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম দাবি করেছেন, তার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তিনি বলেন, সরকারি কাজে কোনো ধরনের টাকা বা ঘুষ নেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com