মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

হামলার পর দ্রুত সচল হচ্ছে ইরানের মিসাইল বাংকার

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৫ জন সংবাদটি দেখেছেন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার মধ্যেও ইরান খুব অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মিসাইল বাংকার ও সাইলো পুনরায় সচল করে ফেলছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র।

দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা। তবে সাম্প্রতিক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো মেরামত করে আবার কার্যকর করে তুলছে ইরান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মাটি খুঁড়ে দ্রুত মিসাইল লঞ্চার উদ্ধার করা হচ্ছে এবং সেগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করা হচ্ছে। ফলে দেশটির সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে White House ও Pentagon দাবি করেছে, পাঁচ সপ্তাহে ইরানের ১১ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে গোয়েন্দা বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio বলেছেন, ইরানের মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে, যদিও দেশটি এখনো মিসাইল নিক্ষেপের সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের মিসাইল ও ড্রোন হামলার হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কৌশলগত বিরতি হতে পারে। অনেক লঞ্চার পাহাড়ি গুহা বা ভূগর্ভস্থ বাংকারে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা সুযোগমতো আবার ব্যবহার করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম Haaretz জানিয়েছে, ইরান বুলডোজার ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া লঞ্চারগুলো দ্রুত উদ্ধার করছে এবং সেগুলো আবার প্রস্তুত করছে।

বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরান এখনও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০টি মিসাইল নিক্ষেপ করছে। তবে যুদ্ধের আগে দেশটির কাছে ঠিক কত লঞ্চার ছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য না থাকায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com