বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

সেই ফজলুর নতুন ফাঁদ, পুরনো চক্রের নতুন রূপ! (ভিডিও)

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩১ জন সংবাদটি দেখেছেন

মাসে ১৬ হাজার টাকা বেতন, স্কুলে কাজ, সম্মানজনক চাকরি— এমন স্বপ্ন দেখিয়েই রংপুরে শতাধিক তরুণ-তরুণীকে নিয়োগ দেয় একটি সংস্থা। নাম-ড্যাফ বাংলাদেশ। কিন্তু কয়েকদিন না যেতেই সেই স্বপ্ন ভাঙতে শুরু করে।

রংপুরের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করার কথা বলে নিয়োগ দেওয়া হয় কর্মীদের। হাতে তুলে দেওয়া হয় নিয়োগপত্র, গলায় ঝোলানো হয় আইডি কার্ড। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছিল—একটি নিয়মিত প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, ততই বাড়তে থাকে প্রশ্ন। কাজ আছে, কিন্তু বেতন নেই। কেউ তিন মাস কাজ করেও পাননি এক টাকাও। পীরগঞ্জের কার্যালয়ে গিয়ে পাওয়া গেলো এমন অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগিকে।

শুধু বেতন না পাওয়াই নয়— সংস্থাটির বৈধতা নিয়েও দেখা দেয় সন্দেহ। কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেলো কার্যক্রম পরিচালনার কোনো অনুমোদনই নেই। যে কাগজপত্র দেখানো হচ্ছে, তার অনেকগুলোই ভুয়া বলে অভিযোগ।

তাহলে প্রশ্ন— কোন ভরসায় এত বড় নিয়োগ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে? সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফজলুল হকের দাবি সবকিছুই নাকি অনুমোদিত।

তবে বছর খানেক আগে নীলফামারী ও দিনাজপুরে ঢাকা হেলথ এডুকেশন সেন্টার নামের ভুঁইফোড় সংস্থা খুলে কর্মী নিয়োগ দিয়ে প্রতারণা করেছেন বর্তমানে ড্যাফ বাংলাদেশ সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফজলুল হক।

দম্ভ ভরে জানানো ফজলুল হকের দাবি তিনি উপজেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন অফিসে চিঠি দিয়ে অবগত করেছেন কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। উপজেলা প্রশাসন বলছে—জানা নেই কিছুই। সিভিল সার্জনও জানালেন একই কথা।

এরই মধ্যে ভুক্তভোগীদের অভিযোগে সংস্থাটির পাঁচ কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তবে পরে তদন্ত কমিটি ও অভিযোগ না থাকায় ছেড়ে দেয়ার কথা জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এতে আরও প্রশ্ন উঠছে— এমন ভুয়া সংস্থা খুলে প্রতারণাই যার পেশা সেই ফজলু কি এবারও সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে? চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা করতে তৈরি হবে আবারও নতুন কোন ফাঁদ। যেন এক পুরনো চক্রের নতুন রূপ।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com