বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

রসিকে ‘ডিজিটাল ডাকাতি’, হোল্ডিং ট্যাক্সে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ

  • সবশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১৪৬ জন সংবাদটি দেখেছেন

রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি ও রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাইকার অর্থায়নে চালু হওয়া আধুনিক সফটওয়্যারকে ব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব লুটপাট করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে সফটওয়্যারের মূল নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করে মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অ্যাকাউন্টের ক্ষমতা কর আদায় শাখার কম্পিউটার অপারেটরদের হাতে চলে যায়। এরপর কর নির্ধারণ, বকেয়া মওকুফ, বিল সংশোধন ও তথ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চালানো হয়।

অনুসন্ধানে অন্তত ১১ ধরনের জালিয়াতির তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্তিত্বহীন ‘ভূতুড়ে’ হোল্ডিং তৈরি, বকেয়া কর গায়েব করা, একই স্থাপনার জন্য একাধিক হোল্ডিং আইডি খোলা, ব্যাংকের সিল জাল করে কর আদায়ের ভুয়া রসিদ প্রদান এবং বহুতল ভবনের প্রকৃত আয়তন গোপন রেখে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনেক ক্ষেত্রে করদাতাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নিয়ে সফটওয়্যারে কর পরিশোধ দেখানো হলেও সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। আবার কিছু ক্ষেত্রে কোটি টাকার বকেয়া কর সফটওয়্যার থেকে মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে বিধিবহির্ভূতভাবে কর ছাড় দেওয়ারও তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় আবেদন বা অনুমোদন ছাড়াই লাখ লাখ টাকার কর মওকুফ করা হয়েছে।

রসিকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ২০২৩ সালে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি ব্যাংকের ভুয়া সিল ব্যবহার, কর কমিয়ে দেওয়া এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে।

তবে তৎকালীন মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা অভিযোগের দায় অস্বীকার করে বলেছেন, তদন্তে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তিনি শাস্তি মেনে নেবেন। একই সঙ্গে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান।

বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং সফটওয়্যারে অবৈধ প্রবেশের পথ বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন টিম গঠনের জন্যও মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রসিক প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সুত্র: কালবেলা

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com