মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

রৌমারী সীমান্তে ৯৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার একই পরিবারের ৪ সদস্য, শূন্যরেখায় এখনও ৫ জন

  • সবশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১২২ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের শিকার একই পরিবারের চার সদস্যকে ৯৬ ঘণ্টা পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাদের রৌমারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তবে একই ঘটনায় পুশইনের শিকার আরও পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক এখনও সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। ঝড়-বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওসার আলী।

তিনি বলেন, “শিশুসহ চার সদস্যকে বিজিবি থানায় হস্তান্তর করে। পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মানবিক দিক বিবেচনায় সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা একই পরিবারের চার সদস্যকে সরিয়ে আনা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন বেলাল হোসেন (২৮), তার স্ত্রী সুমি আক্তার (২৬), মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৪) এবং পাঁচ মাস বয়সী শিশু ফাইমা।

গত রোববার ভোরে আন্তর্জাতিক ১০৬০ নম্বর মেইন পিলারের ১-এস সাব-পিলার এলাকা দিয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ঝালোরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ছয় বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয় জনতার বাধার মুখে তারা শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে আটকা পড়েন।

একই রাতে আন্তর্জাতিক ১০৬৬ নম্বর মেইন পিলার সংলগ্ন ভন্দুচর সীমান্ত দিয়ে আরও তিন বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা করা হলে তারাও সীমান্তে আটকে যান।

সব মিলিয়ে মোট নয়জন বাংলাদেশি নাগরিক কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন।

এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা দুই শিশুর অসুস্থতা এবং মানবেতর জীবনযাপনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে।

বুধবার বিকেলে বিজিবি ও বিএসএফের একটি যৌথ মেডিকেল টিম শূন্যরেখায় গিয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে রাতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মা-বাবা ও দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া জানান, “দুই শিশুসহ পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করা হলেও বাকি পাঁচজন এখনও সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। দ্রুত তাদের বিষয়েও মানবিক সমাধান প্রয়োজন।”

বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, আটকে থাকা বাকি পাঁচজনের বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং বিষয়টির স্থায়ী সমাধানে চেষ্টা চলছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com