বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন

তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ভাঙন পরিদর্শনে এলজিইডির প্রতিনিধি দল

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ১০৮ জন সংবাদটি দেখেছেন

উজানে ভারি বৃষ্টি ও নেমে আসা ঢলে ভাঙনের কবলে পড়া রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুরে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী, ভবন ব্যবস্থাপনা ও সেতু বাস্তবায়ন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চক্রবর্তী উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নে ভাঙনকবলিত তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন।

এরপর তারা বাঁধ রক্ষায় বাঁশ দিয়ে পাইলিং করে নির্মাণ করা স্পার ও নৌকায় করে তিস্তা নদীর কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন। এতে প্রতিনিধি দল নদীর গতি-প্রকৃতি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সম্ভাব্য ক্ষয়-ক্ষতি নিয়ে স্থানীয় অধিবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত বিশেষজ্ঞ দলের মতামতের প্রেক্ষিতে তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। সেইসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় চলমান ভাঙন ঠেকাতে কাজ করার কথা জানানো হয়।

এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী বলেন, গত বছর বুয়েটের একজন প্রকৌশলী তার গবেষণালব্ধ জ্ঞানের আলোকে মাত্র ১০-১২ লাখ টাকা ব্যয় করে বাঁশ পাইলিং করে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ রক্ষায় কাজ করেছেন। নদীতে প্রটেকশন কাজের জন্য এ বাজেট খুবই সামান্য। এটি চলতি বছর নদীর তীব্র স্রোত থেকে বাঁধকে কিছুটা হলেও রক্ষা করেছে। যেহেতু এ বছরও সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে তাই আমরা পরির্দশনে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বুয়েটের নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নদী এলাকা পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে কাজ করা হবে। এ ছাড়া, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে ভাঙন রোধে তাৎক্ষণিক কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, এলজিইডি রংপুর অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মূসা, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, লহ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী, গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপি নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবুসহ অন্যরা।

উজানের ঢলে বৃদ্ধি পাওয়া তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার বিকেল ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com