মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি কাজে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক

  • সবশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ১০২ জন সংবাদটি দেখেছেন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকারি কাজের সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ভাষানীতি কার্যকর হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন ভাষানীতির ঘোষণা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ তথ্য জানান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এ খবর প্রকাশ করেছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সব সরকারি চিঠিপত্র, নোটিং, নির্দেশিকা ও বিজ্ঞপ্তি বাংলা ভাষায় প্রস্তুত করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ও অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও বাংলা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রয়োজনে হিন্দি ভাষাও ব্যবহার করা হবে।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ও অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে বাংলা ভাষায় চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হিন্দিও ব্যবহার করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পাঠানো একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে ‘শব্দ সংগ্রহশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বাংলা ভাষার মর্যাদা ও ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি দেন।

সোমবার বিধানসভায় সেই চিঠি পাঠ করে শোনান শুভেন্দু অধিকারী। চিঠিতে অমিত শাহ প্রশাসন, শিক্ষা ও জনজীবনে ভারতীয় ভাষার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানুষের মাতৃভাষায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা আরও কার্যকর ও জনবান্ধব হবে।

চিঠিতে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত প্রশাসনের সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ফাইল, নোটিং, চিঠিপত্র, নির্দেশিকা এবং এফআইআর দাখিলের ক্ষেত্রেও বাংলা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে, নতুন ভাষানীতি কার্যকরের আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ভারত সরকার বাংলা ভাষাকে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ভাষার মর্যাদা দেয়। অতীতে বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকার প্রশাসনিক কাজে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাকেন্দ্রিক পূর্ণাঙ্গ ভাষানীতি কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হলো।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com