মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

সার না পেয়ে গুদামের দরজা ভাঙলেন কৃষকেরা, নিয়ে গেলেন ১৯৭ বস্তা

  • সবশেষ আপডেট : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পাওয়ার শঙ্কায় একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে গেছেন কৃষকেরা। এসব বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি সার ছিল। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের কাছে তা বিতরণে গড়িমসি করছিলেন। ওই ডিলারের জন্য মোট ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার বরাদ্দ ছিল। ঘটনার সময় গুদামে প্রায় ৩৪০ বস্তা সার মজুত ছিল বলে জানা গেছে।দুই শতাধিক কৃষকের ভিড় স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল থেকেই সার কিনতে ডিলার পয়েন্টটির সামনে দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

একপর্যায়ে জড়ো হওয়া কৃষকদের একটি অংশ গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর সেখান থেকে ইউরিয়া সারের বস্তা নিয়ে যেতে শুরু করেন তারা।

খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে গুদামে থাকা অবশিষ্ট সার রক্ষা করা সম্ভব হয়।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় চার হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা এবং উত্তোলনের পরিমাণ ছিল আরও কম।

তিনি বলেন, সার না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের থামায়।

ওসি জানান, গুদাম থেকে মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক এক বস্তা করে মোট ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। এখনো ১৬৪ বস্তা সার ফেরত পাওয়া যায়নি। সেগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, তিনি সারাদিন জেলার একটি সভায় থাকায় ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন।

এদিকে কৃষকদের অভিযোগ এবং ডিলারের বিরুদ্ধে সার বিতরণে গড়িমসির বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ডিলার তাইফুর রহমান মুকুলের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com