বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বিকাশ, রবিসহ চার প্রতিষ্ঠান পেল ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন

  • সবশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৩ জন সংবাদটি দেখেছেন

দেশে নতুন চারটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে বিকাশ ও রবির উদ্যোক্তাদের প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনীয় শর্ত ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরুর দিকে এগোতে পারবে।

অনুমোদন পেল যে চার ব্যাংক

প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক।

ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা।

নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।

এ ছাড়া আগে প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

আবেদন করেছিল ১৩ প্রতিষ্ঠান

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন আহ্বান করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময় মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোক্তাদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের আবেদন গ্রহণ করে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কারণে তখন অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তন আসে। নতুন করে আর কোনো আবেদন গ্রহণ না করে আগের আবেদনগুলো থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com