মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের তরুণদের চাকরিপ্রার্থী নয় উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার সমাজকল্যাণমন্ত্রী শক্তি বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের, বুধবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবকের বাড়িসহ তিন বাড়িতে হামলা, গ্রেপ্তার ২ অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি ২৯ অক্টোবর হচ্ছে না এইচএসসির ফল, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা! ১ নভেম্বর চার মাসের বকেয়াসহ বাড়তি বেতন, তবে পাচ্ছেন না সবাই ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের মামলা ১৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ঘিরে পীরগঞ্জে তিন হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু

  • সবশেষ আপডেট : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭১ জন সংবাদটি দেখেছেন

উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্পটির মূল প্রশাসনিক ও কারিগরি কাজ এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরুর আগে এর কারিগরি ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। এ জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনে প্রায় ২৩ কোটি টাকার একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। (BSS)

সমীক্ষার প্রস্তাব অনুমোদন হলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কথা রয়েছে। এরপর প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কারিগরি সক্ষমতা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বাস্তবায়ন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

প্রস্তাবিত তিস্তা মহাপরিকল্পনায় প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৬৭টি গ্রোয়েন বা স্পার নির্মাণ ও সংস্কার, ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং এবং ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণ এবং নদীশাসনের মাধ্যমে প্রায় ১৭০ বর্গকিলোমিটার নতুন জমি পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিস্তা অববাহিকার বন্যা, নদীভাঙন ও পানিসংকট মোকাবিলার পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ, কৃষি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আনার লক্ষ্যেই এ মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে প্রকল্পের প্রতিটি অংশের কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক যাচাই করে পরবর্তী বাস্তবায়ন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। (BSS)

তবে সাম্প্রতিক আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ করতে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল নির্মাণকাজ শুরুর সময় আরও পিছিয়ে যেতে পারে। (Lalmonibarta)

এই খবরটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত আরএনবি নিউজ ২০২৫-২৫
Theme Download From ThemesBazar.Com