দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন খাত নিয়ে ধারাবাহিক, তথ্যনির্ভর এবং অনুসন্ধানধর্মী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬’ অর্জন করেছেন সাংবাদিক নাঈম আবির। তিনি ‘সেরা পর্যটন সাংবাদিকতা’ ক্যাটাগরিতে এ সম্মাননা লাভ করেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং পর্যটন খাতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার চালু করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে নাঈম আবির দেশের পর্যটন, বিমান চলাচল, হোটেল-রিসোর্ট, অভিবাসন এবং ভ্রমণ খাত নিয়ে কাজ করে আসছেন। তার প্রতিবেদনে যেমন উঠে এসেছে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা, তেমনি গুরুত্ব পেয়েছে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, নীতিগত জটিলতা, পর্যটক ও যাত্রীদের ভোগান্তি এবং খাতসংশ্লিষ্টদের মতামত।
বর্তমানে তিনি স্টার নিউজের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি ভ্রমণবিষয়ক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘চেক ইন’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় নাঈম আবির বলেন, “পর্যটন সাংবাদিকতার মতো একটি বিশেষায়িত ক্ষেত্রে জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের। এই অর্জন আমাকে আরও দায়িত্বশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতায় উৎসাহ জোগাবে।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার পাশাপাশি এ খাতের চ্যালেঞ্জ, সংকট ও উন্নয়নের বিষয়গুলোও সাংবাদিকতার মাধ্যমে সামনে আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬’-এ পর্যটন উদ্যোক্তা, ট্যুর অপারেটর, হোটেল ও রিসোর্ট, বিনোদন পার্ক, তরুণ উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, ট্যুর গাইড, ট্রাভেল কনটেন্ট ক্রিয়েটর, মাইস উদ্যোগসহ মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগকে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।