নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তুহিন হত্যা মামলায় পুনর্জামিন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে নারায়ণগঞ্জের দায়রা জজ আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে পুনর্জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
নারায়ণগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ শুনানি শেষে আইভীর পুনর্জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা তুহিন হত্যা মামলায় মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি ও সাবেক মেয়র আইভীর পুনর্জামিনের দিন ধার্য ছিল।
নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে পুনর্জামিনের আবেদন করেন আইভী। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন।
আইভীর আইনজীবী আওলাদ হোসেন বলেন, ‘আজকে সিদ্ধিরগঞ্জের তুহিন হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি এবং মেয়র আইভীর পুনর্জামিনের দিন ধার্য ছিল। আমরা আদালতে পুনর্জামিনের আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।’
পুনর্জামিন মঞ্জুরের পর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হন সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।
এ সময় গাড়িতে ওঠার আগে তিনি ‘জয় বাংলাকে দমিয়ে রাখা যাবে না’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা তুহিন হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, গোলাম দস্তগীর গাজী, কায়সার হাসনাত, শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমান।
মামলায় এজাহারনামীয় মোট আসামি ৯৯ জন। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা বিচারিক নিষ্পত্তির তথ্য পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবারের শুনানিতে আইভীর পুনর্জামিনের আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মামলায় তিনি পুনরায় জামিন সুবিধা পেলেন।
তবে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ বা নিষ্পত্তির বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দিয়েছেন কি না, তা প্রদত্ত তথ্যে স্পষ্ট নয়।