রংপুরের মিঠাপুকুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০২৬ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৩৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে উপজেলার সেরা তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় মিঠাপুকুর কলেজ মাঠে ‘শিক্ষার মান উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। এতে সহযোগিতা করে মিঠাপুকুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি।
মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রব্বানী।
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন।
আলোচনা সভায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৪৩৭ জন শিক্ষার্থীকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।
পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে উপজেলার তিনটি সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রব্বানী বলেন, “আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের মেধা ও মননশীলতার যথাযথ বিকাশে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ বলেন, “সুনাগরিক গড়ার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের পথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করাই এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনায়েত হোসেন, মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. গোলাম রব্বানী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মো. এনামুল হক।
আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
রংপুরের মিঠাপুকুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৩৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সম্মাননা পেয়েছে উপজেলার সেরা ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।