রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে জাপানি বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সভায় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি দেশ। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার এবং সিলেটের চা-বাগানসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের পর্যটন খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু জাপান এর আগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা করেছে। পর্যটন খাতের বিকাশেও জাপানি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতাকে সরকার স্বাগত জানাবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে কাজ করতে আগ্রহী।
জাপানি প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে তারা আন্তরিক এবং দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
সভায় জাপানি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে পর্যটন ও আতিথেয়তা (ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি) খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিনিয়োগ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রতিনিধিদল দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
তবে ঘোষিত বিনিয়োগের প্রকল্প, অর্থায়নের সময়সীমা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য সভায় উল্লেখ করা হয়নি।