বরিশালের বিএনপিকর্মী আসাদুজ্জামান জানান, বুধবার সন্ধ্যা থেকে তাঁরা ৩০০ ফিট এলাকায় অবস্থান করছেন। সামনে মানুষের ঢল নামবে, তাই আগেভাগেই হালকা নাশতা সেরে নিচ্ছেন সবাই।
স্লোগানে মুখর : ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, ফিরে এলেন বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’—এমন নানা স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ৩০০ ফিট এলাকা। হাতে হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টার আর মাথায় ও গায়ে লোগো দেওয়া ক্যাপ ও গেঞ্জি। এ ছাড়া ধানের শীষ গায়ে জড়িয়ে ও হাতে নিয়ে এসেছেন অনেক ভক্ত।
বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে যেমন নতুন গতি আসবে, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাতে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হবে, গণতান্ত্রিক আন্দোলন পাবে নতুন দিশা। ৩০০ ফিট এলাকা সাক্ষী হয়ে রইল এক ঐতিহাসিক জনসমাবেশের, যেখানে রাজনীতি, আবেগ আর মানুষের প্রত্যাশা একাকার হয়ে গেছে।
ভাসমান হোটেলে পরিণত কুড়িল বিশ্বরোড : জনসমাবেশ ঘিরে কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে ও বসুন্ধরা এলাকায় মঞ্চের আশপাশে গড়ে ওঠে শতাধিক অস্থায়ী খাবারের দোকান। তেহারি, খিচুড়ি, রুটি, পরোটা, ডিমভাজি, চা, বাদাম, চানাচুর, ঝালমুড়ি সবকিছুতেই ছিলেন ব্যস্ত বিক্রেতারা। খিচুড়ি বিক্রেতা রহমত আলী বলেন, ‘বুধবার বিকেল থেকেই বিক্রি ভালো হচ্ছে, তাই মনটাও ভালো।